
বাগেরহাট, ৬ মার্চ – বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে সুমন কুমার দাস নামের এক গ্রাহকের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে তদন্তে নামেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী এবং পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা ব্যাংকের ওই শাখায় গিয়ে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।
এর আগে গত বুধবার সুমন কুমার দাস ব্যাংকের লকারে গচ্ছিত স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকের লকারে পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রাখা হয়েছিল। পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানের জন্য গত বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকার খোলার পর দেখা যায় সেখানে রাখা স্বর্ণালঙ্কার নেই। ভুক্তভোগী সুমন কুমার দাস জানান, আত্মীয়-স্বজনসহ পরিবারের সকলের স্বর্ণালঙ্কার লকারে ছিল এবং এই ঘটনায় তারা চরম সংকটে পড়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
এদিকে পূবালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন জানান, গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, লকারের চাবি গ্রাহকের কাছেই থাকে এবং ব্যাংকের কাছে ওই অংশের চাবি থাকে না। এছাড়া লকারে স্বর্ণ রাখার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন জানান, লকার থেকে স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শনাক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনার দুদিন আগে একই ভবনে অবস্থিত ‘নগদ’ ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামানের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
এনএন/ ৬ মার্চ ২০২৬





