গোবিন্দের এক পরামর্শেই কি বদলে গিয়েছিলেন সালমান খান?

গোবিন্দের এক পরামর্শেই কি বদলে গিয়েছিলেন সালমান খান?

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সুঠাম দেহ আর স্টাইলিশ লুকের পেছনে কার হাত রয়েছে? সম্প্রতি নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ জানিয়েছেন এক চমকপ্রদ তথ্য। মেজাজি সালমানকে লুক বদলানোর পরামর্শ দিতে নাকি সাহসের প্রয়োজন ছিল, যা গোবিন্দ করেছিলেন মদ্যপ অবস্থায়।

গোবিন্দের এক পরামর্শেই কি বদলে গিয়েছিলেন সালমান খান?

২০০০ সালের শুরুর দিকে সালমান খানের মাথার চুল আশঙ্কাজনকভাবে পড়ে যেতে শুরু করে। পর্দায় তা স্পষ্ট বোঝা যেত বলে দীর্ঘ সময় তিনি মাথায় রুমাল বেঁধে রাখতেন। ২০০৭ সালে ‘পার্টনার’ ছবির শুটিং চলাকালীন গোবিন্দ লক্ষ্য করেন সালমানের চেহারার উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাচ্ছে এবং চুল কমে যাচ্ছে। গোবিন্দ জানান, সাধারণত তিনি মদ্যপান করেন না, কিন্তু একদিন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সালমানকে সোজাসুজি বলেন, “তোমার তো চোখ-মুখ বসে যাচ্ছে, চুল উঠে যাচ্ছে; নিজের শরীরের কিছু করো!”

গোবিন্দের দাবি, তার এই অকপট কথা শুনেই সালমান নিজের শরীরচর্চায় বাড়তি মন দেন এবং চুল প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ‘পার্টনার’ ছবিতে সালমান যে পেশিবহুল ‘মাচো ম্যান’ লুকে হাজির হয়েছিলেন, তার পরিকল্পনা নাকি গোবিন্দই করেছিলেন।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

মজার বিষয় হলো, সালমান নাকি প্রথমে গোবিন্দের সঙ্গে কাজ করতে কিছুটা ইতস্ততবোধ করতেন। কারণ গোবিন্দের অসামান্য ‘কমেডি টাইমিং’ অন্য অভিনেতাদের ম্লান করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে সব সংশয় কাটিয়ে ‘পার্টনার’ ছবিতে এই দুই তারকার রসায়ন দর্শকদের দারুণ বিনোদন দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোবিন্দের সেই রাতের ‘নেশাগ্রস্ত’ পরামর্শই সালমান খানের ক্যারিয়ারে নতুন এক লুকের জন্ম দেয়।

Scroll to Top