কেবল ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী নন; সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার বহু মানুষ এ ধরনের মামলার শিকার। তাঁদের কেউ কেউ কারাবন্দী, কেউ কেউ জামিনে আছেন। আবার গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়ে পালিয়ে থাকা পেশাজীবীর সংখ্যাও কম নয়। এই প্রেক্ষাপটে সম্পাদক পরিষদ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার করতে নতুন সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে।
সম্পাদক পরিষদের ভাষ্যমতে, অন্তর্বর্তী সরকার একাধিকবার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলো খতিয়ে দেখে মিথ্যা ও হয়রানিমূলকগুলো প্রত্যাহারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলে সম্পাদক পরিষদের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কীভাবে অসত্য মামলা করে রাজনীতিকদের হয়রানি করা হতো, তার জ্বলন্ত উদাহরণ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। তাঁর বিরুদ্ধে ডজনখানেক হত্যা মামলা করা হয়েছে। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হয়নি।
যখন সংবাদমাধ্যমে খবর বের হলো সেলিনা হায়াৎ আইভী ‘পরিশীলিত’ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে পারেন, তখনই একের পর এক মামলা দিয়ে তাঁকে জেলে পোরা হয়। একটি মামলায় তিনি জামিন পান তো আরেকটি মামলায় তাঁর নাম ঢোকানো হয়। সর্বশেষ খবর হলো বৃহস্পতিবার হত্যার অভিযোগসহ পৃথক পাঁচ মামলায় তাঁকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।



