সে জন্য এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। এবার দেখা যাক , কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।
১. খরচের তালিকা পর্যালোচনা
পরিবারের স্থায়ী ও অস্থায়ী ব্যয় আলাদা করুন। বাড়িভাড়া, শিক্ষা, ওষুধ—এসব অগ্রাধিকার ব্যয়। ভ্রমণ, উৎসব বা অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা সাময়িক স্থগিত রাখা দরকার। এভাবে অন্তত তিন মাসের ন্যূনতম খরচ কত, সেটি হিসাব করে রাখা ভালো। সে অনুযায়ী খরচ করতে পারেন।
২. জরুরি তহবিল গঠন
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, এর নিশ্চয়তা নেই। তাই তিন থেকে ছয় মাসের সমপরিমাণ খরচ জমানোর জন্য আলাদা তহবিল করতে পারেন। একবারে সম্ভব না হলে প্রবাসী আয়ের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ আলাদা হিসাবে রাখুন। আলাদা ব্যাংক হিসাবে বা স্বল্পমেয়াদি সঞ্চয়পত্রে রাখলে খরচ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
ধরা যাক, একটি পরিবার মাসে ৫০ হাজার টাকা প্রবাসী আয় পায়। ন্যূনতম ব্যয় ৩৫ হাজার টাকা। সে ক্ষেত্রে অন্তত এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা (তিন মাসের ব্যয়) জরুরি তহবিল লক্ষ্য ধরা যেতে পারে। প্রতি মাসে সাত হাজার টাকা আলাদা রাখলে এক বছরে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।



