রমজান মাসে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ চলাকালীন ইফতারের সময় একটি বিরতি দেয়া হয়, যেন রোজা রাখা খেলোয়াড়রা ইফতার করতে পারেন। লিডস ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটির ম্যাচে যে বিরতি কার্যকর হয়েছে। ম্যাচ সাময়িক বন্ধ রাখায় কিছু সমর্থক দুয়োধ্বনি দেয়। সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা দুয়োর নিন্দা ও ইফতার-বিরতির বিষয়টিকে সম্মান দেখাতে আহ্বান জানিয়েছেন।
ম্যানসিটির কয়েকজন খেলোয়াড় রোজা রেখে ম্যাচ খেলছিলেন। লিডসের মাঠে ১৩তম মিনিটে রেফারি সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ রাখেন, যাতে সিটির মুসলিম তিন খেলোয়াড় ইফতার করতে পারেন। সেসময় স্টেডিয়ামে কিছু দর্শকের দুয়োধ্বনি শোনা যায়।
মিশরীয় ওমর মারমাউস, আলজেরীয় রায়ান আইত-নুরি এবং ফ্রেঞ্চ রায়ান চেরকি মাঠে পানি গ্রহণ করে ইফতার ভাঙেন। বেঞ্চে থাকা আরেক তারকা উজবেকিস্তানের আবদুকোদির খুসানভও এতে অংশ নেন। ম্যাচ শেষে গার্দিওলা ঘটনাটি টেনে বলেছেন, ‘বিশ্বাস ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করা জরুরি।’
‘এটাই আধুনিক বিশ্ব, তাই না? আবার দেখুন, বিশ্বে কী ঘটছে। আপনাকে ধর্মকে সম্মান করতে হবে এবং বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে হবে, এটাই মূল কথা। প্রিমিয়ার লিগ বলেছে, রোজা ভাঙার জন্য এক বা দুই মিনিট সময় নেয়া যাবে, তাই খেলোয়াড়রা সেটা করছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যা হয়েছে তা তো হয়েই গেছে।’
লিডসের সহকারী কোচ রেইমার বলেছেন, ‘খেলায় মনোযোগী ছিলাম, তাই ঠিক শুনিনি। তবে এমনকিছু হলে, আমি সমর্থকদের আচরণে হতাশ।’
ম্যাচে অ্যান্টোইন সেমেনিওর একমাত্র গোলে ম্যানচেস্টার সিটি জিতে ফিরেছে।





