পর্যটন পার্কে ২ সপ্তাহে ৭২ বাঘের প্রাণ গেল কীভাবে

পর্যটন পার্কে ২ সপ্তাহে ৭২ বাঘের প্রাণ গেল কীভাবে

চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুচিকিৎসকেরা মৃত বাঘের শরীর ও এদের দেওয়া খাবার পরীক্ষা করেছেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় বাঘগুলোর শরীরে ‘ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাস’ নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই ভাইরাস যখন বাঘের শরীরে আক্রমণ করে, তখন সংক্রমণ অনেক বেশি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

বাঘগুলোর শরীরে জীবাণু পাওয়া গেলেও সেই জীবাণুর উৎস আসলে কী, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা। তবে বিজ্ঞানীদের সন্দেহ বাঘের খাবার নিয়ে। পার্কের ওই দুটি কেন্দ্রে একটি বেসরকারি খামার থেকে কাঁচা মুরগির মাংস সরবরাহ করা হতো। ধারণা করা হচ্ছে, এই কাঁচা মাংসের মাধ্যমেই হয়তো প্রাণঘাতী ভাইরাসটি বাঘের শরীরে প্রবেশ করেছে।

কাঁচা মুরগির মাংস থেকে বাঘের মৃত্যুর ঘটনা থাইল্যান্ডে এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০০৪ সালে চোনবুরি প্রদেশের একটি চিড়িয়াখানায় বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল। এর কারণ হিসেবেও কাঁচা মুরগিকেই দায়ী করা হয়েছিল। সে সময় রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রায় ১৫০টি বাঘকে মেরে ফেলা হয়েছিল।

সংরক্ষণ এলাকা ব্যবস্থাপনা অঞ্চলের পরিচালক জানিয়েছেন, মৃত বাঘগুলোকে সমাহিত করা হয়েছে। তবে প্রতিটি বাঘের মরদেহ শনাক্ত করার জন্য বিশেষ নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আবারও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়।

Scroll to Top