চিত্রনাট্য নিয়েও ছিল মজার অভিজ্ঞতা। সানি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, চিত্রনাট্য ইংরেজিতে না পাঠিয়ে হিন্দিতে পাঠান। কিছু হিন্দি শব্দ কঠিন ছিল। সংলাপ মুখস্থ করে ফেলেছিলাম। পরে জানতে পারি, অফিসের সবাই আমার সঙ্গে একটু মজা করছিলেন। কান চলচ্চিত্র উৎসবে এক ডিনারে বিষয়টি জানি। সত্যি বলতে, আমি ভীষণ নার্ভাস ছিলাম।’
ছবিতে ‘চার্লি’ চরিত্রটিকে চ্যালেঞ্জিং বলে উল্লেখ করেন সানি। তাঁর কথায়, ‘অনুরাগের বিশ্বাস ছিল আমি পারব, কিন্তু নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল না। চরিত্রটির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল চার্লির বিশেষ হাসিটা হুবহু করা। জীবনে কখনো এভাবে হাসিনি। তাই যেখানেই যেতাম, চার্লির মতো করে হাসতাম। আমার টিম ভাবছিল আমি বোধ হয় পাগল হয়ে গেছি। চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য সংলাপের কোচিং, স্ক্রিপ্ট রিডিং ও ওয়ার্কশপ করেছি। অনুরাগ আমার একটি সংলাপও বদলাননি। এটি সত্যিই জীবন বদলে দেওয়া একটি ছবি।’



