
ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি – বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সরকারি বাসভবন দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার না করার নির্দেশনা দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। চলতি মাসের মধ্যেই তাদের বর্তমান আবাসস্থল খালি করে দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, এরপরও যদি কারও বিশেষ প্রয়োজনে অবস্থান করতে হয়, তবে সর্বোচ্চ এক থেকে দুই মাস সময় দেওয়া হতে পারে।
সেক্ষেত্রে মার্চ বা এপ্রিল মাসে অবস্থানের জন্য তাদের সরকার নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে জানা গেছে, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজ বাসভবনে উঠবেন। আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের মতো উপদেষ্টাদের আবাসনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা পেনশন সুবিধা নেই। তাই তাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারি মাসের ভাড়া তাদের দিতে হবে না। জানা গেছে, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জন্য ২৪টি বাংলো ও ১২টি অ্যাপার্টমেন্ট এবং বিরোধীদলীয় নেতার জন্য একটি বাসভবন রয়েছে।
আবাসন পরিদপ্তর আশা করছে, চলতি মাসে বাসাগুলো খালি হলে দ্রুত সংস্কার ও রংয়ের কাজ শেষে নতুন সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার ২১ জন বাসার জন্য আবেদন করেছেন। তবে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা ৪৯ জন এবং আরও ১০ জন উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী রয়েছেন। তাদের তুলনায় সরকারি বাসভবনের সংখ্যা কম হওয়ায় (৩৭টি) সকলকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও আবাসন পরিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।
এস এম/ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





