বাড়তি দামের চাপে পরিবার
নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানাধীন সমবায় আবাসিক এলাকায় ভাড়া থাকেন তৌফিক ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গত শনিবার ১ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনেছি। দোকানে সিলিন্ডার ছিল অল্প। দাম কমানোর কথা বলার সুযোগই পাইনি।’
আগ্রাবাদ, হালিশহর, মুরাদপুর, জামালখানসহ বিভিন্ন এলাকার অন্তত ১০ জন গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় সবাইকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বাড়তি দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে। কোথাও কোথাও দাম আরও বেশি।
নন্দনকানন এলাকার একটি ভবনে ১৮টি ফ্ল্যাট। লাইনের গ্যাস নেই। ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, প্রতিদিন তিন-চারটি সিলিন্ডার খালি হয়। সবাই বাড়তি দামে কিনছেন। কখনো আবার পাওয়া যাচ্ছে না। আগ্রাবাদের বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান বাসার পাশে সিলিন্ডার না পেয়ে এক কিলোমিটার দূরের দোকান থেকে কিনেছেন। ১২ কেজির সিলিন্ডারে তাঁকেও ২০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
এলপিজির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আন্তর্জাতিক বাজারদর সমন্বয় করে সরকার নির্ধারিত মূল্য ঘোষণা করা হয়, কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই দর কার্যকর হচ্ছে না। নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েক শ টাকা বেশি নেওয়া হলে নজরদারি কোথায়—এই প্রশ্ন তুলছেন ভোক্তারা। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাঝেমধ্যে অভিযান চালালেও তার প্রভাব স্থায়ী নয় বলে অভিযোগ রয়েছে।



