কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি যদি প্রত্যাশামতো কমে, তাহলে ফেডারেল ফান্ডস রেটের লক্ষ্যমাত্রা আরও কমানো হতে পারে। কিন্তু কয়েকজন সদস্যের মতে, মূল্যস্ফীতি নিশ্চিতভাবে কমছে, এটি স্পষ্ট না হলে কিছু সময় নীতি সুদহার স্থির রাখাই সমীচীন। কেউ কেউ এমনও মত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে সুদহার বাড়ানোর পথও খোলা রাখা উচিত, বিশেষ করে যদি মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যসীমার ওপরে থেকে যায়।
গত সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও ডিসেম্বরে নীতি সুদহার ধারাবাহিকভাবে তিন দফায় মোট শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ পয়েন্ট কমানো হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সুদহার এখন ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি কমেছে। এই বাস্তবতায় বিনিয়োগকারীরা আশা করছিলেন, নীতি সুদহার আরও কমবে।
কার্যবিবরণীতে ব্যক্তিগত নাম না উল্লেখ করে ‘কিছু’, ‘অনেকে’, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’—এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। অধিকাংশ সদস্যের ধারণা, চলতি বছরের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমবে, তবে এর গতি ও সময় নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। শুল্কের কারণে দামের ওপর চাপ তৈরি হলেও সময়ের সঙ্গে তা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবু সতর্কতা রয়েছে। সেটা হলো মূল্যস্ফীতিকে ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে আসার গতি ধীর ও অসম হতে পারে। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় লক্ষ্যসীমার ওপরে থাকবে, এমন ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।



