
দিনাজপুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি – সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লিচুর মুকুল এবং ফুলের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে। লিচুর রাজ্য হিসেবে খ্যাত দিনাজপুরের বাগানগুলোতে এখন মুকুলের সমারোহ আর মৌ মৌ গন্ধ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারও লিচুর বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিক ও চাষিরা। এই জেলায় দিন দিন লিচু চাষ বেড়েই চলেছে।
গাছে মুকুল আসার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা গাছের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। মিষ্টি ও রসালো স্বাদের জন্য বিখ্যাত দিনাজপুরের বেদানা, বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায়না-থ্রি আর দেশি লিচুর মুকুলে ছেয়ে গেছে গাছের ডালপালা। ইতিমধ্যে লিচু বাগান আগাম বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। দিনাজপুর সদরের মাসিমপুর, কসবা, বাঁশেরহাট, পুলহাট, পাঁচবাড়ি, খানসামা ও বিরল উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে মুকুল এসেছে। স্থানীয় চাষিদের মতে অন্যান্যবারের মতো এবারও বাগান বিক্রি করে তারা লাভবান হবেন।
খামারপাড়া গ্রামের লিচু বাগান মালিক ইসমাইল হোসেন জানান যে তার বাগানে ৪৫০টি লিচু গাছ আছে এবং প্রতিটি গাছে পর্যাপ্ত মুকুল এসেছে। তিনি নিয়মিত সেচ দিচ্ছেন এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে ব্যবহার করছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে এবার জেলায় ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হচ্ছে। বসতবাড়ি ও রাস্তার ধারেও প্রচুর লিচু গাছ রয়েছে। গত এক দশক ধরে অবিশ্বাস্য গতিতে বৃহত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় লিচুর চাষ বেড়েছে। সুস্বাদু হওয়ায় এই লিচু দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে।
এস এম/ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





