
জেরুজালেম, ১৮ ফেব্রুয়ারি – রমজানের প্রথম দিনেই গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এক শিশু ও এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বুধবার দখলদার বাহিনীর পৃথক হামলায় ওই শিশু ছাড়াও মুহান্দ জামাল আল-নাজ্জার নামের এক তরুণ প্রাণ হারান। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য রাফাহ সীমান্ত দিয়ে বাইরে যেতে চাওয়া হাজারো ফিলিস্তিনিকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে উত্তর গাজায় নিজেদের বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি দেখতে যাওয়ার পথে শিশুদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিশুর মৃত্যু হয় এবং গাজার দক্ষিণে খান ইউনুসের পূর্বদিকে বানি সুহেইলা গোলচত্বরে সেনাদের গুলিতে নিহত হন ২০ বছর বয়সী মুহান্দ।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গাজার হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে যে মধ্য গাজার আল-মুঘরাকা ও দক্ষিণের রাফাহ শহরের আল-মাওয়াসি এলাকায় গুলিতে আরও তিনজন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তরের তথ্যমতে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার মানুষ অপেক্ষমাণ থাকলেও সীমান্ত দিয়ে খুব কম সংখ্যক রোগী বের হতে পারছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়েসুস অবিলম্বে চিকিৎসার পথ খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া সীমান্তে তল্লাশির নামে ফিলিস্তিনিদের অপমান ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বছরের অক্টোবরে তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এনএন/ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





