বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় টানা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক পাসপোর্ট শক্তিমত্তা সূচকে দেশটি আবারও এক নম্বরে অবস্থান করেছে। অন্যদিকে তালিকার নিচের দিকেই রয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান। মোট ১০১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ৯৫তম।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সূচক প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক নাগরিকত্ব সংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা আইএটিএ-এর তথ্যের ভিত্তিতে এই সূচক প্রস্তুত করা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ৩৭টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছরের শুরুতে এই সংখ্যা ছিল ৩৯। বছরের শেষ প্রান্তিকে তা কমে দাঁড়ায় ৩৮-এ। আর ২০২৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশিরা ৪২টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ভিসামুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা কমেছে।
শীর্ষ তালিকায় সিঙ্গাপুরের পর দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে জাপান ও সাউথ কোরিয়া। দেশ দুটির পাসপোর্টধারীরা ১৮৮টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাঁচটি ইউরোপীয় দেশ- ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ড। এসব দেশের নাগরিকেরা ১৮৬টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা পান।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে ১০টি দেশ- অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, ইটালি, নেদারল্যান্ডস এবং নরওয়ে। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৫টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে হাঙ্গেরি, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এসব দেশের নাগরিকেরা ১৮৪টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ পান।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় পারপোর্ট রয়েছে মালদ্বীপ এর। চিহ্নিত দেশটির অবস্থান ৫২তম এবং দেশটির নাগরিকরা ৯২টি দেশ ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন। রয়েছে ভারত (৮০তম, ৫৫টি দেশ), ভুটান (৮৫তম, ৫০টি দেশ) এবং মিয়ানমার (৮৯তম, ৪৪টি দেশ)।
এছাড়া শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৯৩তম অবস্থানে (৩৯টি দেশ)। নেপাল (৩৫টি দেশ)। পাকিস্তান ৯৮তম অবস্থানে (৩১টি দেশ)। আফগানিস্তান, যার নাগরিকা মাত্র ২৪টি দেশ ভিসা ছাড়া ভ্রমণ পান।



