মার্কিন হাউস অফ রেপ্রেজেন্টেটিভস এককভাবে ব্রেভ বার্মা আইন (এইচ.আর.৩১৯০) পাশ করেছে। আইনটি মিয়ানমারে (পূর্বের নাম বার্মা) অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো এবং প্রেসিডেন্টকে বিশেষ দূত নিয়োগের বিষয়ে বলা হয়েছে।
এই আইনের অধীনে প্রেসিডেন্টকে মিয়ানমারের কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ক্ষমতা রয়েছে। নতুন বিলটি এই ক্ষমতাকে ২৩ ডিসেম্বর ২০৩২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।
আগামী সাত বছর প্রেসিডেন্টকে বাৎসরিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, মায়ানমা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজ (এমওজিই), মিয়ানমার ইকোনমিক ব্যাংক (এমইবি) এবং বার্মার জেট ফুয়েল খাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো নিষেধাজ্ঞার যোগ্য কিনা।
আইএমএফ-এ মার্কিন নির্বাহী পরিচালককে বার্মার শেয়ার বৃদ্ধির ওপর সীমা নির্ধারণে ভোট ও তত্ত্বাবধান করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। (রাজ্য প্রশাসনিক পরিষদ হচ্ছে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পরে গঠিত সামরিক সরকার।)
প্রেসিডেন্টকে বার্মার জন্য বিশেষ দূত নিয়োগ করতে হবে। এই দূতের পদ রাষ্ট্রদূতের সমকক্ষ হবে এবং বার্মার ওপর মার্কিন নীতি, নিষেধাজ্ঞা, অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা এবং মানবিক সহায়তার সমন্বয় করাই তার দায়িত্ব।
এই বিলটি ২০২৫ সালের ৫মে প্রতিনিধি বিল হুইজেনগা দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল।
বিলের মূল বিষয়সমূহ-
- বার্মার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ ও ২৩ ডিসেম্বর ২০৩২ পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করা
- এমওজিই, এমইবি এবং জেট ফুয়েল খাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর বাৎসরিক প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত
- আইএমএফে বার্মার শেয়ার বৃদ্ধির সীমা নির্ধারণ
- বার্মার জন্য বিশেষ দূতের নিয়োগ, যা রাষ্ট্রদূতের সমকক্ষ মর্যাদা পাবে



