বঙ্গভবনের বদলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ – DesheBideshe

বঙ্গভবনের বদলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ – DesheBideshe

বঙ্গভবনের বদলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ – DesheBideshe

ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি – বঙ্গভবনে নয়, প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পড়াবেন। এর আগে ওইদিন সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে গণভোটও করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ৩০০ আসনের সংসদে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন। দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা হবে, যেখানে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। এরপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে জানাবেন, তাদের সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। তখন রাষ্ট্রপতিকে তারা সরকারপ্রধান করার অনুরোধ করবেন। রাষ্ট্রপতি দলনেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় সদস্যদের নির্বাচন করবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ রাষ্ট্রপতি প্রদান করবেন।

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত দলের সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, যা অনেকটাই নিশ্চিত।

সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং তিনি যেভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন, তেমনভাবেই অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে ১০ ভাগের নয় ভাগ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে। সর্বাধিক ১০ ভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে টেকনোক্র্যাট হিসেবে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত হতে পারবেন, যা সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়াবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের শপথ দেবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করবে।

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে তারা দেশের নতুন সরকার হবে। শপথ নেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে।

এনএন/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬



Scroll to Top