নির্বাচনের আগে বিভিন্ন নারী সংগঠনসহ নাগরিক সমাজ নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা–হয়রানি, বিশেষ করে অনলাইন সহিংসতা নিয়ে যে উদ্বেগ জানিয়েছে, সে বিষয়ে বিশ্বসংস্থাটি সচেতন বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয়।
বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় বলেছে, রাজনৈতিক নেতা–কর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকার রক্ষাকারীসহ জনজীবন–সংশ্লিষ্ট কাজে কর্মরত নারীরা জানাচ্ছেন, সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি ও ছবি বিকৃত করে অপব্যবহারসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পরিবর্তিত বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্টের ঘটনা বাড়ছে।
জাতিসংঘ সব অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে নারীদের অর্থপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পক্ষে কাজ করে আসছে বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশে বিশ্ব সংস্থাটির কার্যালয়। তারা আরও বলে, নারীদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা প্রদান করছে জাতিসংঘ। নারীসহ সব ভোটার যেন ভয়ভীতি–বৈষম্য–অনলাইন নির্যাতন বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়াই প্রার্থী ও ভোটার হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



