বায়ুদূষণের মাত্রা ২০০-এর বেশি হলে তাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০০ হয়ে গেলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে গণ্য হয়।
দেশের সর্বত্রই বায়ুদূষণ বাড়ছে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আজকাল ঢাকার বাইরের অন্যান্য এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা অনেক বেশি থাকছে।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে যেসব কার্যক্রম আছে, তা মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক। তবে এসব কার্যক্রমের তেমন কোনো ফল নেই।
বায়ুদূষণে আজ বিশ্বের নগরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে আছে পাকিস্তানের লাহোর, স্কোর ২২৩।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুদূষণের স্থানীয় উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। এসব উৎস নিয়ন্ত্রণে আদৌ সেভাবে কোনো চেষ্টা হয়নি। উপমহাদেশীয় দূষিত বায়ুপ্রবাহের চেয়ে সেগুলোই প্রাধান্যশীল।
ঢাকার বায়ুদূষণের উৎসগুলোর মধ্যে আছে যানবাহন ও কলকারখানার দূষিত ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলাবালু, বিভিন্ন দ্রব্য পোড়ানোর কারণে সৃষ্টি ধোঁয়া, ইটভাটা।



