
গুজরাট, ৭ ফেব্রুয়ারি – মাত্র ২০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আইনি লড়াই চালিয়েছেন গুজরাটের পুলিশ কনস্টেবল বাবুভাই প্রজাপতি।
অবশেষে আদালত তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কলঙ্ক মোচনের সেই সুখবর পাওয়ার ঠিক পরদিন হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি। ঘটনাটি শুরু হয় ১৯৯৬ সালে যখন বাবুভাই আহমেদাবাদে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ২০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২০০৪ সালে সেশন আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে চার বছরের কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা করে।
এই রায়ের বিরুদ্ধে বাবুভাই গুজরাট হাইকোর্টে আপিল করেন। সেই আপিলের রায় পেতে কেটে যায় আরও ২২ বছর। অবশেষে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট জানায় যে সাক্ষীদের বক্তব্যে গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে এবং রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেয়। রায় পাওয়ার পর বাবুভাই মন্তব্য করেছিলেন যে তার জীবনের কলঙ্ক মুছে গেছে এবং এখন মৃত্যু হলেও তার কোনো আক্ষেপ থাকবে না। তার এই কথাই যেন সত্য হলো। আইনজীবী নিতিন গান্ধী জানান যে রায়ের দিন বাবুভাই অত্যন্ত আনন্দিত ছিলেন এবং বকেয়া পাওনা আদায়ের পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু পরদিনই তার আকস্মিক মৃত্যু হয়।
এস এম/ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





