বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নূজিয়া হাসিন বলেন, ‘এই ডাকসুর থেকে আমি কোনো ধরনের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি আশাও করি না। কারণ, আমি খুব ভালো করেই জানি, ওই সাদিক কায়েমদের ডাকসু, যারা অঞ্চলে অঞ্চলে জামাতের নেতাদের, একাত্তরের গণহত্যাকারী ও ধর্ষকদের পক্ষে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে, তারাও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদেরকে বেশ্যাই মনে করে।’
শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান বলেন, নির্বাচনী মাঠের ভেতরে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি নিম্নমানের এবং মাদকাসক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে চাচ্ছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘যারা একাত্তরে আমাদের শত্রু ছিল, তারা ’২৬ সালেও আমাদের শত্রুতে পরিণত হচ্ছে। তারা বাংলাদেশের নারীদের যে উন্নয়নের যাত্রা, সভ্যতার যে যাত্রা, নারীদের শিক্ষার যে যাত্রা, সেই যাত্রার টুঁটি তারা চেপে ধরতে চায়।’



