দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল সেবা
ডেটা যদি দেশের বাইরে থাকে, তাহলে তথ্য আদান–প্রদানে সময় বেশি লাগে। এতে ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ধীরগতির হয়। দেশীয় ডেটা সেন্টার ব্যবহারে ল্যাটেন্সি কমে এবং ডিজিটাল সেবার মান উন্নত হয়।
খরচ ও দক্ষতার বিষয়
বিদেশি সার্ভার ব্যবহার করলে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথের ওপর নির্ভরতা বাড়ে, যা ব্যয়বহুল। স্থানীয় ডেটা সেন্টার ব্যবহার করলে খরচ কমে এবং একই সঙ্গে দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তি খাতের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ে।
সরকারের ক্লাউডভিত্তিক উদ্যোগ
সরকার এরই মধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় ডেটা সেন্টার স্থাপন, সরকারি সেবাগুলোকে অনলাইনে রূপান্তর ও বিভিন্ন দপ্তরে ক্লাউডভিত্তিক তথ্যব্যবস্থার ব্যবহার—এসব উদ্যোগ মূলত ক্লাউড ফার্স্ট ধারণারই বাস্তব প্রতিফলন। জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ভূমি সেবা, কর ব্যবস্থাপনা—এসব সেবার ডিজিটাল রূপান্তরের পেছনে ডেটা সেন্টার ও ক্লাউড অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

