হলফনামা বিশ্লেষণ: সিলেটের অর্ধেক প্রার্থীই নির্বাচন করবেন ‘বিদেশি টাকায়’

হলফনামা বিশ্লেষণ: সিলেটের অর্ধেক প্রার্থীই নির্বাচন করবেন ‘বিদেশি টাকায়’

সিলেট-১ আসন

সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে মোট প্রার্থী আটজন। এর মধ্যে তিনজন নিজ আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী স্বজন-শুভানুধ্যায়ীদের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া ব্যবসা ও ব্যাংক সুদের আয় থেকে পাওয়া পাঁচ লাখ টাকা খরচ করবেন। এ ছাড়া প্রবাস থেকে দান হিসেবে পাওয়া ১১ লাখ এবং আত্মীয়স্বজন নন, এমন ১২ জনের কাছ থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকা খরচ করবেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান নিজ আয়ের ১ লাখ ২০ হাজার, প্রবাসী চাচার কাছ থেকে পাওয়া ২ লাখ ৯০ হাজার এবং দলের নেতা-কর্মীদের দানের ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ করবেন। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নিজ আয়ের এক লাখ, প্রবাসী স্বজনদের থেকে পাওয়া তিন লাখ এবং দলের সদস্য ও সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া এক লাখ টাকা খরচ করবেন।

নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ৫৫ লাখ টাকা খরচ করবেন বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। এর মধ্যে তাঁর নিজ আয়ের ২৫ লাখ টাকা। বাকি টাকার মধ্যে স্ত্রীর কাছ থেকে ১৫ লাখ, ভগ্নিপতির কাছ থেকে ১০ লাখ ও ভাগনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা দান হিসেবে পাবেন।

জামায়াতে ইসলামীর হাবিবুর রহমান নিজ আয়ের ৩০ লাখ টাকা খরচ করবেন। সবচেয়ে কম খরচ করবেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রণব জ্যোতি পাল। তিনি নিজ তহবিলের ৫০ হাজার, শুভানুধ্যায়ীর কাছ থেকে দান হিসেবে পাওয়া ৫০ হাজার এবং দলের মাধ্যমে গণচাঁদা হিসেবে পাওয়া ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করবেন।

অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) সঞ্জয় কান্ত দাস টিউশনি আয়ের চার লাখ, দান হিসেবে পাওয়া দুই লাখ টাকা খরচ করবেন। গণ অধিকার পরিষদের আকমল হোসেন ব্যবসা থেকে আয় করা সাত লাখ এবং দানের পাঁচ লাখ টাকা খরচ করবেন।

Scroll to Top