বিচারমন্ত্রী দাওদা জালো সোমবার আদালতে বলেন, মিয়ানমারের সামরিক শাসকেরা রোহিঙ্গাদের পরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছে। তাদের জীবন তছনছ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, মিয়ানমার তাদের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে, তাদের জীবনকে এক দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।
গাম্বিয়ার আইনজীবী দলের আরেক সদস্য পল রেইখলার ২০১৭ সালের সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান। ওই জবানবন্দিতে জ্যান্ত মানুষসহ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া ও দলবদ্ধ ধর্ষণের বর্ণনা ছিল।
রেইখলার আরও বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ‘অশুদ্ধ ও ঘৃণিত মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেছিল।
ফিলিপ স্যান্ডস নামের দলের তৃতীয় এক সদস্য বলেন, সহিংসতার ব্যাপকতা প্রমাণ করে, মিয়ানমার ‘জাতিগত নিধনের উদ্দেশ্য’ নিয়েই কাজ করেছে।


