তবে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ১১টি আসনে ও জাগপা ৩টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তারা নির্বাচন করছে না। জানা গেছে, নির্বাচনী সমঝোতার অংশ হিসেবে দল দুটির নেতাদের অন্যভাবে মূল্যায়ন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনকে নিয়ে এনসিপির দিক থেকে আপত্তি তোলা হয়েছে যে তারা পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীন ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তারা নির্বাচনী ঐক্যে শরিক থাকতে পারে, প্রার্থী দিতে পারবে না। এ নিয়ে তিক্ততা এড়াতে খেলাফত আন্দোলন প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আর জাগপা নিজে থেকেই পরে মূল্যায়নের আশ্বাস পেয়ে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
সব মিলিয়ে ইসলামপন্থীদের ঐক্য গড়ার যে উদ্যোগ ইসলামী আন্দোলনের হাত ধরে শুরু হয়েছিল, সেই উদ্যোগই শেষ পর্যন্ত তাদের বাইরে রেখেই বাস্তব রূপ পেল। ভোটের মাঠে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

