কিশোরদের জন্য মসজিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সময় হলো জুমার নামাজ। ১১-১২ বছরের একজন কিশোরের কাছে জুমা মানে হলো অনেক মানুষের সমাগম, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়া এবং নিজেকে একটি বৃহত্তর সমাজের অংশ মনে করা। এই অনুভূতি তাদের মধ্যে একধরনের শ্রেষ্ঠত্ববোধ ও আত্মমর্যাদা তৈরি করে।
আল্লাহর রাসুল (সা.) যুবকদের এই আধ্যাত্মিক সংযোগের গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, কেয়ামতের কঠিন দিনে যে সাত শ্রেণির মানুষ আল্লাহর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবে, তাদের মধ্যে এক শ্রেণি হলো ‘সেই যুবক, যার হৃদয় মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে’। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৬০)
এই সংযোগ তৈরির জন্য কেবল ইবাদত নয়, বরং মসজিদের নানা সামাজিক আয়োজনে তরুণদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। যেমন মসজিদের কমিউনিটি প্রোগ্রামে তরুণদের ভলান্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। যখন তারা নিজের হাতে সেবা দেবে, তখন মসজিদের প্রতি তাদের নিজস্ববোধ তৈরি হবে।
মসজিদ যদি কেবল প্রার্থনার স্থানে পরিণত হয় এবং সামাজিক কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তবে তরুণ প্রজন্ম সেখানে আর নিজেদের খুঁজে পায় না।

