ইউজিসি বদলে হচ্ছে উচ্চশিক্ষা কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংসহ আর কী কী হবে

ইউজিসি বদলে হচ্ছে উচ্চশিক্ষা কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংসহ আর কী কী হবে

খসড়া অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শিক্ষা ও গবেষণার চাহিদা নিরূপণ, উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ, নীতি ও নীতিমালা প্রণয়ন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন তদারকি, দেশি-বিদেশি গবেষণা প্রকল্পের নজরদারির দায়িত্ব থাকবে কমিশনের ওপর।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও অগ্রাধিকারও নির্ধারণ করবে কমিশন। পাশাপাশি মানদণ্ড নির্ধারণ করে প্রতি তিন বছর পরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হবে। র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশেষ তদারকির আওতায় আনার কথাও বলা হয়েছে অধ্যাদেশের খসড়ায়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রেডিট স্থানান্তর এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষক-গবেষক বিনিময় কর্মসূচিতেও কমিশন সহযোগিতা করবে।

খসড়ায় বলা হয়েছে কোনো আইন বা সরকার কর্তৃক অর্পিত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা সম্পর্কিত যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ, দায়িত্ব ও কার্য সম্পাদন করবে এই উচ্চশিক্ষা কমিশন।

কমিশন প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, হিসাব তলব ও মূল্যায়ন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে। অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে স্বপ্রণোদিত হয়ে বা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও থাকবে কমিশনের। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কমিশনের নির্দেশনা প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ স্থগিত (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে), কোর্স বা প্রোগ্রামের অনুমোদন বাতিল, স্থগিত, এমনকি ভর্তি বন্ধের নির্দেশও দিতে পারবে কমিশন।

তবে এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ দিনের মধ্যে কমিশনের কাছে রিভিউ আবেদন করতে পারবে। সেখানেও সন্তুষ্ট না হলে আচার্যের কাছে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

কমিশন প্রতিবছর ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আগের অর্থবছরের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে একটি বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবে, যা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

Scroll to Top