অজ্ঞাতপরিচয় লাশ হিসেবে দাফন, তদন্তে বেরিয়ে এল প্রেমিকার পরিকল্পনায় খুন হন তিনি

অজ্ঞাতপরিচয় লাশ হিসেবে দাফন, তদন্তে বেরিয়ে এল প্রেমিকার পরিকল্পনায় খুন হন তিনি

এরপর অটোরিকশাটি গাজীপুরের পুবাইল এলাকার দিকে যাচ্ছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, টঙ্গী থেকে সন্ধ্যার পর পুবাইলের দিকে যান তাঁরা। পুবাইলের হাড়ীবাড়ীরটেক নির্জন এলাকায় গিয়ে আরাফাত চলন্ত অটোরিকশায় মিষ্টির ব্যাগে রাখা প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে আদিয়াতের হাত–পা বেঁধে ফেলেন। পরে শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহটি পুবাইল এলাকার মহাসড়কের একটি কালভার্টের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। আদিয়াতের মুঠোফোনে নিয়ে নেন হত্যাকারীরা।

পুলিশ সূত্র বলছে, ৪ নভেম্বর গাজীপুরের পুবাইল থানা–পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে আদিয়াতের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তাঁকে গাজীপুরে দাফন করা হয়।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী আদিয়াতের বাবা মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ছেলে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি। পাশাপাশি ছেলের মরদেহ গ্রামে নিয়ে দাফন করতে চান। তিনি বলেন, ছেলের মরদেহ গ্রামে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে স্থানীয় থানা–পুলিশ তাঁকে সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

Scroll to Top