আপদমুক্ত শীতের জন্য প্রার্থনা

আপদমুক্ত শীতের জন্য প্রার্থনা

১. এ ক্ষেত্রে নারীরাই বিপদে পড়ে থাকে বেশি। গ্রামাঞ্চলে নারীরা সাধারণত শাড়ি পরেন। হাড়কাঁপানো শীত সহ্য করতে না পেরে বাড়ির পাশেই খড়ের মধ্যে আগুন ধরিয়ে তাপ নেওয়ার সময় কখন যে শাড়ির আঁচলে আগুন লেগে যায়, তা শীতের তীব্রতার কারণে বোঝা যায় না। এ ক্ষেত্রে শাড়ি ভালোভাবে পেঁচিয়ে তারপর বসুন।

২. অতীতে দেখা গেছে, শীতের মধ্যে এলাকার ছেলেরা কয়েকজন মিলে কৃষকের খড়ের পুঞ্জির পাশে আগুন পোহাতে গিয়ে সেই পুঞ্জি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কৃষকের জন্য এ ক্ষতি অপূরণীয়। কৃষকের খড় যেখানে আছে তার থেকে দূরে আগুন পোহালে ভালো, যদি সম্ভব হয় তাহলে আশপাশে কৃষকে খড় বা কারও বাড়ি নেই এমন স্থানে আগুন পোহানো।

৩. আগুন পোহানো হয়ে গেলে আগুন ভালোভাবে নিভিয়ে দিন। না হয় অজান্তে কেউ সেখানে গেলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।  

৪. যাঁরা বারবিকিউ পার্টি করছেন, যতটা সম্ভব সাবধানে থাকুন। নিশ্চিত হোন আপনার ফায়ার প্লেসের আগুন পুরোপুরি নিভেছে কি না। সামান্য আগুনের ফুলকি থেকেও বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।  

৫. বাড়ির ছোট সদস্যদের প্রতি বাড়তি নজর দিন। আগুন থেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে বাড়তি গরম কাপড় পরিয়ে রাখুন।  

মনে রাখতে হবে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু অপবিত্র নয়, তাকে তাড়াহুড়ো করে এই শীতে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করানো মানে তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। যেসব প্রবীণ নারী একা থাকেন তাঁদের এই শীতে বিশেষ খেয়াল রাখা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।

Scroll to Top