২. প্রয়োজনীয় কেনাকাটায় জোর দিন
চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ মুদি পণ্যের দাম সপ্তাহে সপ্তাহে বদলায়। যেমন মাসের শুরুতে যখন চাল, ডাল, তেল তুলনামূলক স্থির থাকে, তখন একসঙ্গে কিনে রাখলে ২০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত কমে। আবার বড় অফার এলে পরিবারের মাসিক নিত্যপণ্য একবারেই কিনে নেওয়া খরচ সামাল দিতে সাহায্য করে।
৩. সঞ্চয় ধরে রাখা
সামর্থ্য অনুসারে অল্প হলেও নিয়মিতভাবে সঞ্চয় করুন। ধরুন, আগের মতো মাসে ৫০০০ টাকা সঞ্চয় করা সম্ভব নয়। তবু নিয়মিত ২০০০ টাকা রেখেও সঞ্চয় অভ্যাস বজায় রাখা যায়। কেউ চাইলে সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংকের আমানতে ১-২ বছরের জন্য টাকা রাখতে পারে, যা তুলনামূলক নিরাপদ ও ভালো মুনাফা দেয়।
৪. ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা
ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্ক থাকুন। আরেকটা ঋণ নিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে—এমন ভাবনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। কারণ, মূল্যস্ফীতির সময়ে ব্যক্তিগত ঋণ বাড়ালে কিস্তির চাপ বাড়তে পারে।
একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। যদি আগেই প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকার কিস্তি চলছে, তার ওপর নতুন ৫ হাজার টাকার কিস্তি যোগ হলে মোট ১৩ হাজার টাকার চাপ তৈরি হবে, যা আয় না বাড়লে পরিবারকে ঝুঁকিতে ফেলবে। এ সময়ে নতুন ঋণ না নিয়ে আগে নেওয়া ঋণ আগেভাগে পরিশোধের চেষ্টা করা উত্তম।



