এরপর কী হলো
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় ৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। শ্মশানে একসঙ্গে পোড়ানো হয় শত শত মরদেহ। গণকবরে সমাহিত করা হয় সারি সারি মরদেহ। বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয় পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। আক্রান্ত মানুষদের অনেকেই পরে মারা যায়। অনেকে চিরতরে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অনেকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে বেঁচে ছিল।
প্রায় অর্ধেক অন্তঃসত্ত্বা নারীর গর্ভের সন্তান মারা যায়, অনেকের গর্ভপাত ঘটে। যেসব শিশু পৃথিবীর আলো দেখতে পেয়েছিল, তাদের অনেকেই জন্মের পরপরই মারা যায়। মানুষের পাশাপাশি মারা যায় হাজার হাজার পশুপাখি, পাতাহীন হয়ে পড়ে গাছপালা, ঘাসগুলো হয়ে যায় হলদে।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, কারখানা থেকে নির্গত বিষ এখনো এলাকার মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানিকে বিষাক্ত করে চলেছে।
ভোপাল বিপর্যয় নিয়ে আন্দোলনকারী ও ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের দাবি, ওই ঘটনার শিকার দেড় লাখ মানুষ ক্যানসার, অন্ধত্ব, যকৃৎ ও কিডনির নানা অসুখে ভুগছে।



