গণতন্ত্রের কর্মী হিসেবে রাইলার দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড দেশের দুটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার আনতে সাহায্য করেছিল। প্রথমটি ১৯৯১ সালে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং ২০১০ সালে নতুন সংবিধান।
২০০৭ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর রাইলা বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যাতে স্বাধীনতার পর কেনিয়ায় সবচেয়ে মারাত্মক রাজনৈতিক সহিংসতা দেখা দিয়েছিল। সেই সংঘর্ষে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হন এবং কয়েক লাখ মানুষ গৃহহীন হয়েছিলেন।
এই সহিংসতার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পশ্চিমাঞ্চলের লুও উপজাতি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোয়াই কিবাকির জাতিগোষ্ঠী কিকুয়ুদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। কিকুয়ুরা কেনিয়ার বৃহত্তম এবং অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে প্রভাবশালী উপজাতি।
২০১৭ সালের নির্বাচনের পরেও সহিংসতা হয়েছিল।
২০১৭ সালে রাইলা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছিলেন, প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষ বিশ্বাস করেন, তাঁদের নিজেদের লোক ক্ষমতার শীর্ষে না থাকলে তাঁরা নিরাপদ নন।


