বড় খামারের মহিষগুলো প্রতিদিন পানিতে নামে, সাঁতার কাটে। তাদের ভুট্টা, সয়াবিন খাওয়ানো হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারকেরা শিংয়ের আকার, খুরের মসৃণতা, পায়ের গঠন এবং দেহের সুষম গড়ন দেখে বিচার করেন।
স্থানীয় কর্মকর্তা পাপাদা স্রিসোফন বলেন, এই প্রতিযোগিতার কারণে কৃষকেরা মহিষ পালে। না হলে আর মহিষ পালনে কেউ আগ্রহ দেখাত না।
টডের মালিক থাওয়াচাই বলেন, মানুষ যেমন মহিষ লালন-পালন করে, মহিষও তেমনি মানুষকে লালন-পালন করে।


