তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা। হাজীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, গতকাল রাতেই ওই ফেসবুক পোস্ট ডিলিট করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইলিয়াস হোসেন ফেসবুকে দুঃখ প্রকাশ করে আরেকটি পোস্টও করেছেন। এরপরও তাঁকে নিয়ে একটি বৈঠকের প্রস্তুতি নেন মসজিদ কমিটির লোকজন। ওই সময় বিএনপির নেতা–কর্মীরা ইলিয়াসের ওপর হামলা চালান। প্রতিরোধ করতে গিয়ে জামায়াতের ১০–১২ জন নেতা–কর্মী আহত হন।
একই কথা জানান ইলিয়াস হোসেনও। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই ছবি অসাবধানতাবশত শেয়ার হয়েছে। বিষয়টি কয়েকজন জানানোর পর ডিলিট করেছি। এ বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে পরে দুঃখও প্রকাশ করেছি।’
এ ঘটনার পর এলাকাটিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে জানিয়ে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘জামায়াত ও বিএনপির মারামারির ঘটনায় ৮–৯ জন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। তবে কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’