আলমগীর হোসেন নামের এক শ্রমিক বলেন, কঠোর পরিশ্রম করে বেতনের টাকায় শ্রমিকদের সংসার চলে। পারিশ্রমিক না পেলে ওই শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল পরিবার কী দুরবস্থায় থাকে, তা কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে না।
এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনো ভাষ্য পাওয়া যায়নি। যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা ফোন ধরেননি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল বারিক বলেন, শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বকেয়া বেতন পরিশোধ করবে কর্তৃপক্ষ। এরপর নির্ধারিত সময়ে কারখানার কার্যক্রম চলবে।