Traditional Durga Puja: বাবুইজোড়ের ৩০০ বছরের প্রাচীন দে পরিবারের পুজো, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সাক্ষী

Traditional Durga Puja: বাবুইজোড়ের ৩০০ বছরের প্রাচীন দে পরিবারের পুজো, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সাক্ষী

Last Updated:

স্বাধীনতা আন্দোলনের রণহুঙ্কার থেকে আজও অটুট তিন শতকের ঐতিহ্য, বাবুইজোড়ের দে পরিবারের ৩০০ বছরের দুর্গাপুজো আজও বীরভূমের গৌরবগাঁথা শোনায়


+

Traditional Durga Puja: বাবুইজোড়ের ৩০০ বছরের প্রাচীন দে পরিবারের পুজো, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সাক্ষী

দে পরিবারের ৩০০ বছরের দুর্গাপুজো

সিউড়ি, বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের বাবুইজোড় গ্রামে আজও ধ্বনিত হয় তিন শতাব্দীর পুরনো পুজোর গৌরবগাঁথা । প্রায় ৩০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন এই দুর্গাপুজো একসময় স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল অঙ্গাঙ্গিভাবে। বর্তমানে এটি পরিচিত ‘দে পরিবারের পুজো’ নামে, তবে একসময় এই পুজো করতেন গোস্বামী পরিবার।

পারিবারিক ইতিহাস অনুযায়ী, ১৭০২ সালে পুজোর দায়িত্বভার পরিবর্তন হয়। তখন বর্ধমানের ঝাঁঝরা গ্রাম থেকে ব্যবসায়িক সূত্রে বাবুইজোড়ে এসে বসতি স্থাপন করেন বাবুরাম দে। গোস্বামী পরিবার আর্থিক সঙ্কটে পড়ে পুজোর ভার তাঁর হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে দে পরিবারের বংশধররাই এই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে পুজো করে আসছেন।

দে পরিবারের সদস্য অনিরুদ্ধ দে জানান, ” আমাদের প্রথম পুরুষ বাবুরাম দে ও তাঁর স্ত্রী এখানে আসেন। ইংরেজি ১৭০২ সাল থেকেই পুজোর দায়িত্বভার আমাদের হাতে। আমাদের পূর্বপুরুষরা স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। পিকেটিংও করেছিলেন তাঁরা।” তাঁর কথায় স্পষ্ট, দেবী এখানে শুধুমাত্র দুর্গা নন, স্বাধীন ভারতের প্রতীকী রূপে ‘ভারতমাতা’ হিসাবেও পূজিতা হন।

এই পুজোর অন্যতম বিশেষ রীতি হল, অষ্টমীর মহাপুজোর পর আর কোনও সন্ধ্যা আরতি হয় না। স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলিতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় এই পুজোতেই মায়ের কাছে প্রার্থনা জানাতেন দে পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে গ্রামে একাধিক দুর্গাপুজো হলেও দে পরিবারের এই প্রাচীন পারিবারিক পুজো বিশেষ মর্যাদা পায়। পরিবারের বহু সদস্য সারা বছর দেশের নানা প্রান্তে থাকলেও দুর্গাপুজোর চারদিনে তারা একত্রিত হন এই মিলনমেলায়।

Scroll to Top