যখন একটি চলমান কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো সমস্যা দেখা দিত, তখন তা আবার চালু করার প্রয়োজন হলে, তাকে রিবুটিং বলা হতো। একবার চালু হওয়ার পর, মানে বুট হওয়ার পর আবার তাকে চালু করাকে রিবুটিং বলা হতো। প্রথম দিকের কম্পিউটার ছিল বিশাল আর জটিল। নানা সমস্যার কারণে বারবার বুটিং বা কম্পিউটার চালু করতে হতো। অনেক সময় একটি প্রোগ্রামের ত্রুটি পুরো সিস্টেমকে অকেজো বা অস্থিতিশীল করে দিত। রিবুট করার মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ প্রোগ্রাম বন্ধ করে আবার কম্পিউটার চালু করতেন প্রকৌশলীরা। প্রথম দিকে কোল্ড রিবুট ও হার্ড রিবুট ধারণা দেখা যায়। বিদ্যুৎ–সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে আবার চালু করাকে কোল্ড রিবুট বলা হতো। অনেকটা আমাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার বন্ধ করে চালু করার মতো।
পরবর্তী সময়ে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ও লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম রিবুট বিষয়কে রিস্টার্ট শব্দ হিসেবে জনপ্রিয় করা শুরু করে। মাইক্রোসফট উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার সঙ্গে স্টার্ট মেনু থেকে রিস্টার্ট অপশনটি সবার কাছে সহজলভ্য হয়ে ওঠে।
সূত্র: কম্পিউটার হিস্ট্রি ডট অর্গ



