আমাদের কেন রাস্তায় নামতে হলো – DesheBideshe

আমাদের কেন রাস্তায় নামতে হলো – DesheBideshe

আমাদের কেন রাস্তায় নামতে হলো – DesheBideshe

ঢাকা, ০১ ফেব্রুয়ারি – জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নিচ্ছে না অন্তর্বর্তী সরকার বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারগুলোর একদল সদস্য।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে অন্তত ২০টি শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের একজন যাত্রাবাড়ীতে নিহত ইমাম হাসান তাইমের ভাই মো. রবিউল আউয়াল।

রবিউল আউয়াল বলেন, ‘গত রবিবার শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি গিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দরজায় ভিক্ষার ঝুড়ি নিয়ে, উনার সহকারী বলল, গত ৩০ তারিখের মধ্যে আমাদের দেখার ব্যবস্থা করে দেবে। উনি মেসেজ দিয়েছেন, ডক্টর ইউনূসের নাকি শহীদ পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সময় নাই। তাহলে বলেন, শহীদ পরিবার কোথায় যাবে? আমাদের কেন রাস্তায় নেমে আসতে হলো?’

তিনি বলেন, ‘ছয় মাস ধরে তিনি এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রত্যেকটি হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে দৌড়াচ্ছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনি অভিযোগ দিলেও তাঁর সেই অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন।

তিনি সরকারের কাছে প্রশ্ন করেন, ‘ছয় মাসে কয়টা আসামি গ্রেপ্তার করেছেন? ২০০০ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মাত্র ৩৫ জন আসামি গ্রেপ্তার কি তাদের প্রাপ্তি? বিচার জন্য তো আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আসামি যদি গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে ফাঁসিটা দেবে কাকে? এই বিচারের নামে রঙ্গমঞ্চ তৈরি করার মানেটা কী?’

আন্দোলনে স্বামী হারিয়েছেন বীথি আক্তার। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের পরিবারের দাবি যদি মেনে না নেওয়া হয়, তবে আমাদেরও মেরে ফেলুন। আমাদের এখন বাঁচার কোনো দরকার নাই।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশারেফ হোসেন হাওলাদার শহীদ পরিবারগুলোর দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘নিহত পরিবারগুলো এক মুঠো ভাত চায়, একটি রুটি চায়, বাঁচার মতো বাঁচতে চায়, তা না হলে এই পরিবারগুলোকেও মেরে ফেলুন।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ
এনএন/ ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫



Scroll to Top