স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলে ভাইকিংদের বিস্তার সম্পর্কে গবেষকেরা ডিএনএ থেকে যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তার বেশির ভাগই ঐতিহাসিক রেকর্ডের সঙ্গে মিলে গেছে।
প্রসিদ্ধ নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণার ফলাফলে পরীক্ষা–কৌশলটি সফলভাবে কাজ করছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই গবেষণা স্বীকৃত তথ্যের ওপর নতুন করে আলোকপাতের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে।
লিও স্পিডেল তাঁর দলের নেতা পনটাস স্কোগ্লান্ডের সঙ্গে মিলে কৌশলটি উদ্ভাবন করেছেন। স্পিডেল বলেন, উদ্ভাবনের মুহূর্তটিতে তাঁরা সত্যিই রোমাঞ্চিত হয়েছিলেন। তাঁরা দেখতে পাচ্ছিলেন যে মানুষের ইতিহাস সম্পর্কে তাঁদের জানাশোনায় এই কৌশল সত্যিই পরিবর্তন আনতে পারে।
গবেষকেরা যে সমস্যাটি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিলেন, তা হলো, মানুষের জিনগত (জেনেটিক) কোড অনেক দীর্ঘ। ৩০০ কোটি পৃথক রাসায়নিক ইউনিট নিয়ে তা গঠিত। এই কোডে কয়েক প্রজন্ম ধরে ঘটা ছোট ছোট জিনগত পরিবর্তন চিহ্নিত করা অনেকটা খড়ের গাদায় সুই খোঁজার মতো কঠিন কাজ।
গবেষকেরা সমস্যাটির সমাধান করেছেন খড়ের গাদা সরিয়ে নিয়ে সুইটি একদম চোখের সামনে রেখে। অর্থাৎ, তাঁরা পুরোনো জিনগত পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করে সেগুলো বাদ দিয়ে শুধু সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোয় মনোযোগ দেওয়ার উপায় খুঁজে পেয়েছেন।