
Last Updated:
Bollywood News: আদিত্য হলেন শাম্মী কাপুরের পুত্র। তবে রূপালি পর্দার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। অভিনয় থেকে শতহস্ত দূরেই থাকেন।
ভাই অন্ত প্রাণ ছিলেন রাজ কাপুর। শশী কাপুর এবং শাম্মি কাপুরকে চোখে হারাতেন। কিংবদন্তী অভিনেতার শততম জন্মবার্ষিকীর আগে এমনটাই জানালেন তাঁর ভাইপো আদিত্য রাজ সিং। তিন কাপুর ভাইয়ের সম্পর্কের অজানা দিক নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি।
আদিত্য হলেন শাম্মী কাপুরের পুত্র। তবে রুপোলি পর্দার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। অভিনয় থেকে শতহস্ত দূরেই থাকেন। ইটাইমস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আদিত্য বলেন, “তিন ভাই এবং এক বোনের মধ্যে রাজ জ্যেঠুই সবার বড়। আদ্যন্ত পারিবারিক মানুষ ছিলেন। সমস্ত শুভ অনুষ্ঠানে হাজির থাকতেন। শশী কাকু আর বাবাও তাঁকে পিতার মতোই সম্মান করতেন।”
এক সময় বড় দাদাকে বাবার চোখে দেখাই রেওয়াজ ছিল। আদিত্যর মতে, পরবর্তী প্রজন্মও সেই ধারা বজায় রেখেছে। আদিত্যর কথায়, “পারিবারিক সম্মান এভাবেই বজায় রাখতে হয়। একথা স্বীকার করতেই হবে।”
ভাইদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন রাজ কাপুরও। আদিত্য বলছেন, “তখন ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’-এর শ্যুটিং চলছে। আমি সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করছিলাম। শশী কাকুর দিকে যেভাবে তাকাতেন, বিশেষত রোম্যান্টিক দৃশ্যগুলিতে, মনে হত ঈশ্বরকে তিনি ধন্যবাদ জানাচ্ছেন, এমন সুন্দর, হ্যান্ডসাম একজনকে ভাই হিসেবে পৃথিবীতে পাঠানোর জন্য। প্রায় বলতেন, ‘শশীর আলোর দরকার নেই, ও নিজেই আলো’। এমন প্রশংসা আমাদের ওই বয়সে শিখিয়েছিল, অন্যের সৌন্দর্য দেখার জন্য অসাধারণ বিনয় প্রয়োজন।”
কাপুররা ছিলেন একান্নবর্তী পরিবার আদর্শ উদাহরণ। ভাইদের মধ্যে মিলও ছিল খুব। আদিত্য বলছেন, “প্রত্যেকেই থিয়েটার থেকে উঠেছেন। পৃথ্বীরাজ কাপুরের কাছ থেকেও একই শিক্ষা পেয়েছিলেন। এক বাড়িতেই সবাই থাকতেন। একসঙ্গে বসে খেতেন। খাবারও এক। প্রত্যেকেই অত্যন্ত সুদর্শন। কিন্তু স্টাইল সবার আলাদা। তাঁরা সকলেই শিল্পী। অত্যন্ত সৃজনশীল, নান্দনিক। সিনেমার ভাষা খুব ভাল বুঝতেন। প্রত্যেকেই নিজস্ব পরিচয় তৈরি করতে পেরেছিলেন। সে জন্যই আজও মানুষের মনে রয়ে গিয়েছেন।”
শুক্রবার রাজ কাপুরের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে রাজ কাপুর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয় মুম্বইয়ে। দেখানো হয় অভিনেতার সেরা ১০টি ছবি। প্রায় চার দশকের কর্মজীবন। অগুণতি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার মধ্যে থেকে সেরা ১০ বাছা সহজ নয়। তবে রাজ কাপুর বললেই যে ছবিগুলোর নাম মনে আসে, সেই ‘আগ’ (১৯৪৮), ‘বরসাত’ (১৯৪৯), ‘আওয়ারা’ (১৯৫১), ‘শ্রী ৪২০’ (১৯৫৫), ‘জাগতে রহো’ (১৯৫৬), ‘যিস দেশ মে গঙ্গা বহতি হ্যায়’ (১৯৬০), ‘সঙ্গম’ (১৯৬৪), ‘মেরা নাম জোকার’ (১৯৭০), ‘ববি’ (১৯৭৩) এবং ‘রাম তেরি গঙ্গা মাইলি’ (১৯৮৫) দেখানো হয় এদিন।
Kolkata,West Bengal
December 14, 2024 11:59 AM IST