সিলেটে আসার প্রথম দিককার স্মৃতিচারণা করে আজল হক বলেন, প্রায় ৪০ বছর আগের কথা। সাল ঠিক মনে নেই। প্রথম দিকে সিলেটে এসে কিনব্রিজে রিকশা ঠেলার কাজ করেছেন। সে সময় একটি রিকশা ঠেললে চার আনা পেতেন। রিকশা ঠেলে ব্রিজের ওপর তোলা দেখতে সহজ মনে হলেও ভীষণ কষ্ট হতো। কষ্ট করে প্রায় দুই বছর সে কাজ করেছেন। পরে এলাকার এক ভাইয়ের মাধ্যমে ঠেলা নিয়ে চানাচুর ও আচার বিক্রি শুরু করেন। সেই থেকে সিলেট এমসি কলেজ প্রাঙ্গণে তিনি চানাচুর, বুট ও আচার বিক্রি করছেন।
আজল হকের কথার ফাঁকে এমসি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁর কাছ থেকে চানাচুর ও আচার কিনতে আসেন। এ সময় দেখা গেল, আজলের ঠেলায় চানাচুর, মুড়ি, তেঁতুলের আচার, বরইয়ের আচার, ঝাল তেঁতুলের আচার, বুট ও ছোলা আলাদা আলাদা করে রাখা। ঠেলার এক পাশে ময়লা ফেলার ঝুড়ি ঝুলিয়ে রাখা। একটি প্লাস্টিকের বয়ামে চানাচুরসহ অন্যান্য উপকরণ দেওয়ার পর চামচ দিয়ে নেড়ে কাগজে পরিবেশন করেন তিনি। খাওয়া শেষে ক্রেতারাই ঝুড়িতে ময়লা ফেলে যান।



