নিহত রজব আলীর ছেলে নুর আলম বলেন, ‘আমার বাবার অবস্থা খারাপের দিকে গেলে কর্তব্যরত আরএমও আসমা লাবনীকে ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু তিনি ওই সময় আসেননি। একপর্যায়ে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। চিকিৎসা অবহেলায় আমার বাবার মৃত্যু হয়েছে। আমি কাউকে মারধর করি নাই।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, ‘একজন নারী চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় আমরা বসে থাকতে পারি না। আমাদের দাবি মানা না হলে, কর্মবিরতি চলতেই থাকবে। আমরা এ ঘটনায় মামলা দায়ের করব।’