আগামী সপ্তাহে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে আইএমএফ ফিসক্যাল মনিটর শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, মার্কিন সরকারের ব্যয় বৃদ্ধির যে সম্ভাবনা আছে, তাতে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে।
প্রতিবেদনে আইএমএফ বলেছে, দেশে দেশে রাজস্ব খাতের অনিশ্চয়তা বাড়ছে; সেই সঙ্গে কর সংগ্রহ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতানৈক্য বাড়ছে। করনীতিতে পরিবর্তন আনা কঠিন হচ্ছে। কিন্তু একই সময়ে বিভিন্ন কারণে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যেমন পরিবেশ রক্ষায় ব্যয় বৃদ্ধি, বয়স্ক জনগোষ্ঠীর ভরণপোষণ, নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জসহ অন্যান্য উন্নয়ন ব্যয়।
তিন সপ্তাহ পরই মার্কিন নির্বাচন। এই সময় দেশটির ঋণ নিয়ে আইএমএফের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ আছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিস উভয় প্রার্থী নতুন করে কর ছাড়সহ ব্যয় বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেছেন। ট্রাম্প করপোরেট কর আবারও কমানোর অঙ্গীকার করেছেন। এমনিতেই মার্কিন সরকারের ঋণ জাতীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে। নতুন করে কর ছাড় দেওয়া ও ব্যয় বৃদ্ধি করা হলে দেশটির জাতীয় ঋণ আরও অনেকটাই বেড়ে যাবে।



