জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মৃত এই খালকে আবার জীবিত করতে চান বলে জানান ডিএনসিসি মেয়র। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কোনো দখলদারকে নোটিশ দেওয়া হবে না। খালের ১০০ ফুটের মধ্যে যা যা পড়বে, সব ভেঙে ফেলা হবে। অবৈধ স্থাপনা ভাঙা না হলে দেখাদেখি আরেকজন খাল দখল করবেন।
বেলা ১১টার দিকে লাউতলা খালের পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএনসিসির অভিযান শুরু হয়। প্রথমে খালের মোহনার জায়গা দখল করে বানানো একটি আধপাকা ও একটি পাকা স্থাপনা ভাঙা হয়। এরপর শুরু হয় খালের পাড়ে নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন ভাঙার কাজ। ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, নির্মাণাধীন ভবনটির ৭০ ভাগই খালের জায়গার ওপর বানানো হয়েছে।
মেয়রের উপস্থিতিতে এই উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএনসিসি অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাকাব্বির আহমেদ।
উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবী ও ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের খাল পরিষ্কারের কাজ চলতে থাকে।
ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, আজ লাউতলা খালের তিন কিলোমিটার অংশের পরিষ্কারের কাজ করা হবে।