হার্ভার্ডের সাংস্কৃতিক লড়াই

হার্ভার্ডের সাংস্কৃতিক লড়াই

কিন্তু শুরুতেই ইসরায়েলের কিছু সমালোচনাকারী অনুধাবন করেছিলেন, যে দেশগুলো একসময় ইহুদিদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, ইসরায়েলও ক্রমে সেই দেশগুলোর বৈশিষ্ট্য অর্জন করবে।

এই বৈশিষ্ট্যগুলো হলো, নিজ জাতিগোষ্ঠীর বাইরে থেকে কাউকে গ্রহণ না করা, নিজ জাতিগোষ্ঠী-সম্পর্কিত ইস্যুতে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা এবং সামরিক শক্তিমত্তার প্রদর্শন।

১৯৪০ সালে হান্নাহ আরেন্ত জায়নবাদী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হন। কিন্তু খুব দ্রুতই তিনি এই মতাদর্শের সমালোচক হয়ে ওঠেন। কারণ, তিনি দেখেছিলেন, ইহুদিদের জন্য গঠিত রাষ্ট্র ক্রমে ইহুদি হয়ে উঠেছে। সেখানে নির্যাতিত শরণার্থীদের কোনো স্থান নেই। দেশটি ক্রমে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের কেন্দ্র হয়ে উঠছে। একসময় নির্যাতিত হয়েছিল, এই অজুহাতে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে।

ইসরায়েলের এই পরিবর্তন হয়েছে ক্রমে। যাঁরা দেশটির প্রথম দিককার বাসিন্দা, তাঁদের বড় অংশই বামপন্থী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ ছিল। কিন্তু ইসরায়েলের বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় নির্লজ্জ বর্ণবাদীরা জায়গা পেয়েছেন।

জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতমার বেন-গিভির অন্তত ছয়বার বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। শুধু এই কারণেই ইসরায়েল এখন ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপন্থীদের কাছে এত প্রিয়।

Scroll to Top