চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আগামী ২৬ জুন বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই শীর্ষ বৈঠককে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দিনের চীন সফরের শেষ দিনে অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। এর আগে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং এবং দেশটির জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও বৈঠক করবেন। ফলে চীনের শীর্ষ তিন নেতার সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ দুই দেশের রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর করার বার্তা দিচ্ছে।
সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে ২টি চুক্তি, ১৩টি সমঝোতা স্মারক, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রটোকল সইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব দলিলের আওতায় উন্নয়ন সহযোগিতা, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কারিগরি শিক্ষা, ভূতাত্ত্বিক জরিপ, গণমাধ্যম সহযোগিতা এবং বন্দর উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব জোরদার হবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, শি জিনপিং ও তারেক রহমানের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই নেতার উপস্থিতিতে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে। চার দিনের ব্যস্ত কর্মসূচি শেষে ২৬ জুন বিকেলে বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের।



