২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপহার | চ্যানেল আই অনলাইন

২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপহার | চ্যানেল আই অনলাইন

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে ২০ জন অসচ্ছল নারীর হাতে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা তুলে দিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের এই সহায়তা দেওয়া হয়।

শনিবার (১ আগস্ট) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে সেলাই মেশিন ও দুটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান ইমদাদুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান, গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকসহ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, অসচ্ছল নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, একজন নারী ঘরে বসেই আয় করতে পারলে তার পুরো পরিবার উপকৃত হয়। তাই উপহার হিসেবে দেওয়া সেলাই মেশিনকে আয়ের মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগানোর পাশাপাশি গাছের চারাগুলোরও যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

উপকারভোগীদের মধ্যে কাজলী মার্ডে জানান, ভ্যানচালক স্বামীর সীমিত আয়ে তিন মেয়ের পড়াশোনা চালাতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করতে হয়েছে। সেলাইয়ের কাজ জানলেও নিজের মেশিন না থাকায় তা কাজে লাগাতে পারেননি। এখন সেলাই মেশিন পেয়ে তিনি সংসারের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনায় সহায়তা করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

একই কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের একজন আবিনাদ টপ্য বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন তাকে নতুনভাবে আত্মবিশ্বাসী করেছে। তিনি এখন সেলাইয়ের কাজ করে পরিবারের আয় বাড়াতে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখতে চান। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা বসুন্ধরা গ্রুপের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Scroll to Top