হামলা–মামলা, দখলের চেষ্টায় ভালুকার সংসদ সদস্যের নাম, বিএনপির শোকজ

হামলা–মামলা, দখলের চেষ্টায় ভালুকার সংসদ সদস্যের নাম, বিএনপির শোকজ

‘আমার কোনো লোক নেই’

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনের সময়ও আমি দলের কোনো পদে ছিলাম না। আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলায় আমি সর্বোচ্চ ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছি। এখানে আমার বলতে কোনো লোক নেই। আমার ভাই–ব্রাদার, আত্মীয়স্বজন কেউ যেহেতু ব্যবসায় নেই, তাই আমার কোনো লোক নেই। এখানে যাঁরা বলছেন যে আমার লোক, এটা একটা দুষ্ট চক্রের ইন্ধন। যারা দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিস্টদের নিয়ে চলেছে, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে যাদের ব্যবসা ছিল, তারা এখন বিএনপির নেতা-কর্মীদের দায়ী করার জন্য এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।’

গত শনিবার সংসদ সদস্যকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বিএনপি। নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানান সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন।

হামলা–মামলা ও কারখানা দখলের চেষ্টার মতো অভিযোগ বারবার কেন আসছে—এমন প্রশ্নের জবাবে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘কোনো কারখানার মালিক এখনো আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। কোনো কারখানায় আমি কাউকে সরাসরি পাঠিয়েছি, নিজে গেছি বা আমার কোনো ভাই–ব্রাদার, আত্মীয়স্বজন গেছে, এটা কেউ বলতে পারবে না।’

দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর ফখর উদ্দিন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। পর দিনই তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্তে ভালুকা থানায় মামলা করেছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ (প্রিন্স)। তিনি এখন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদেরও প্রশাসক।

সৈয়দ এমরান সালেহ গতকাল রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, কোনো অনৈতিকতা কিংবা অবৈধভাবে কোনো কাজের ক্ষেত্রে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই কঠোর থাকবে।

Scroll to Top