মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের পর আসন গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২–এর বিচারক ও বিচারপতিরা। দুপুর ১২টার আগেই ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা শুরু করেন। ঘোষণায় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এ মামলার কোনো আসামি উপস্থিত না থাকায় তাঁরা বিস্তারিত রায় পড়ছেন না। কার কী সাজা হয়েছে, তা ঘোষণা করছেন।
রায়ে বলা হয়েছে, এ মামলার রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। সব কটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। সব অভিযোগেই বিভিন্ন ধরনের সাজা দেওয়া হয়েছে আসামিদের। ঘোষিত রায়ে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এক নম্বর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে আসামি মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। আর দুই ও তিন নম্বর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে তাঁকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো।
এক নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামি মাহবুব উল আলম হানিফের প্ররোচনা, উসকানি, অনুমোদন ও নির্দেশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাঁর অধীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডাররা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালান। সেদিন গুলিতে ছয়জন শহীদ হন। তাঁরা হলেন আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, বাবুল ফরাজী ও ইউসুফ শেখ। এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
