অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিকুজ্জামান বলেন, এই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে যা যা করার তা করা হবে। যাঁরা দোষী, তাঁরা ছাড় পাবেন না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা খুবই মর্মাহত। সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব। ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে ইনশা আল্লাহ।’
জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। শামসুজ্জামানের মৃত্যুর জন্য দায়ী সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে কিংবা যৌথ বাহিনীর অভ্যন্তরে যারা আইন হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবে এবং আইনবহির্ভূত কাজ করবে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
বিএনপি নেতা মো. শরিফুজ্জামান বলেন, ‘যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে যেন কারও এ রকম পরিস্থিতি না হয়, সে জন্য আমরা সবাই সচেতন থাকব, ঐক্যবদ্ধ থাকব।’


