লিউ জানান, হাঁসগুলোকে একটি নদীর ধারে উন্মুক্ত অবস্থায় পালন করা হতো। ওই নদী একসময় সোনা তোলার জন্য বিখ্যাত ছিল।
সম্ভবত নদীর কাদার সঙ্গেই হাঁসগুলো সোনার টুকরা গিলে ফেলেছিল।
প্রাণী বা মানুষের শরীর সোনা হজম বা শোষণ করতে পারে না। সাধারণত এটি কোনো ক্ষতি না করেই পরিপাকতন্ত্র দিয়ে মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
তবে সোনার টুকরা বড় বা ভেজালযুক্ত হলে তা মানুষ ও প্রাণী উভয়ের জন্যই বিপদের কারণ হতে পারে। এর ফলে অন্ত্রে বাধা সৃষ্টি হওয়া বা বিষক্রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
লিউয়ের এই সোনা পাওয়ার ঘটনাটি কিন্তু একেবারে নতুন কিছু নয়।
লিউ জানান, এর আগে অন্য গ্রামবাসীও হাঁসের পেটে সোনা পেয়েছেন। তবে তাঁর মতো এত বেশি পরিমাণ সোনা আর কেউ পাননি।



