ইউএনএইডস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. সায়মা খান বলেন, ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজকে তুলে ধরতে হলে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে সবার সামনে পৌঁছে দিতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা হলো নিজের টাকা খরচ করে স্বাস্থ্য সেবা নেওয়া। অন্যদিকে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিলেও একটা খরচ রয়েছে। সেক্সসুয়াল রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ কেয়ারের আওতায় এইচআইভি/এইডসকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ১৭/১৮ হাজার এইচআইভি সংক্রমিত রোগী রয়েছে। তাদের শতকরা ৯৫ ভাগকে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। কিন্তু চিকিৎসার আওতায় মাত্র জীবিত ৮ থেকে ৯ হাজার রোগী রয়েছে। এমএসএমের ৫৭ শতাংশ চিকিৎসার আওতায় এসেছে। পিডব্লিউডি’র কাভারেজ ৭০ শতাংশের মতো রয়েছে। দেশে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার যৌনকর্মীর মধ্যে কনডম ব্যবহার করে মাত্র ২০ শতাংশ। যা উদ্বিগ্নের বিষয়।
আলোচনায় অংশ নেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম, এএইচএফ বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রোগাম ম্যানেজার আকতার জাহান শিল্পী, আইসিডিডিআরবি’র ডা. মুনতাসরিনা আক্তার, বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মশিউর রহমান ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে এইচআইভি/এইডস কাযক্রমে কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠনসমূহ সম্পৃক্তকরণে এবং নীতি নির্ধারণী ক্ষেত্রে ইউএনএইডস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমেদ বলেন, মাদক ব্যবহারকারী ও ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সহজলভ্য এইচআইভি পরীক্ষা নিশ্চিত করা, জেন্ডার ও সেক্স এডুকেশন জোরদার করা, ডিজিটাল আউটরিচ বাড়ানো এবং মিডিয়ার সক্রিয় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এসব কার্যক্রম কার্যকরভাবে প্রচার ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এদিকে ডোনারের তহবিল কমে যাচ্ছে। আমাদেরকে আমাদের চেষ্টায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির ফারাহ ফারিন ও তৌসিফ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন আশার আলো সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রহমান।



